ভৈরব, কিশোরগঞ্জে গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার বিকেলে ভৈরব উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের মেন্দিপুর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত যুবকের নাম আনোয়ার হোসেন (৩৫)। তিনি এবং ওই গৃহবধূ একই গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশ ও মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার গৃহবধূর স্বামী ব্যবসার কাজে ঢাকায় যান। সেই রাতে গৃহবধূ বাড়িতে একা ছিলেন। রাত আনুমানিক ২টার দিকে আনোয়ার হোসেন ও তার দুই সহযোগী গৃহে প্রবেশ করে গৃহবধূকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। গৃহবধূ কয়েক ঘণ্টা অচেতন অবস্থায় ছিলেন। পরে জ্ঞান ফিরে এলে তিনি তার স্বামীকে ঘটনাটি জানান। গতকাল সকালে গৃহবধূর স্বামী ঢাকা থেকে ফিরে ভৈরব থানায় দলবদ্ধ ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন। মামলায় আনোয়ার হোসেন এবং তার সহযোগী মোশারফ মিয়া (২৬) ও শাহ আলম (৩০)-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় আরও বলা হয়েছে, তাদের সঙ্গে গৃহবধূর পূর্ব শত্রুতা ছিল। গৃহবধূর স্বামী বলেন, "আসামিরা আগেই জানত আমি ঢাকায় যাচ্ছি এবং আমার স্ত্রী বাড়িতে একা থাকবে। আমার স্ত্রী তাদের তিনজনকেই ভালোভাবে চিনতে পেরেছে।" ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খন্দকার...
হত্যার ভয় দেখিয়ে মুসলিম মেয়েকে একাধিকবার ধর্ষণ হিন্দু যুবকের, থানায় অভিযোগ দেওয়ায় বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ
দিনাজপুরের চিরিরবন্দর থানার রাণীরবন্দরের ১নং নশরতপুর ইউনিয়ন এর বশির মেম্বার পাড়ায় মাহফুজা আক্তার (১৫) নামের এক অসহায় মুসলিম মেয়েকে হত্যার ভয় দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে একই গ্রামের রুকন পাল (৩৫) নামের এক হিন্দু যুবক। মাহফুজা আক্তার প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় বিভিন্ন ভয় ভীতি এবং তার মাকে মারার হুমকি দেখিয়ে জোরপূর্বক শারীরিক নির্যাতন করে রুকন পাল (কালু)। ধর্ষণের পর হুমকি-ধামকি ও শারীরিক নির্যাতনে অতিষ্ট হয়ে, গত ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করে মাহফুজা। এরই জের ধরে গত চলতি মাসের ৭ জানুয়ারি মাহফুজার বাড়ির চতুর্দিক খড় দিয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে এই পুরো মুসলিম পরিবারকে পুরিয়ে মারার চেষ্টা করে রুকন পাল (কালু)। আশ্চর্যজনক হলেও সত্য, ঘটনার প্রায় ১ মাস কেটে গেলেও এখন পর্যন্ত এই ভয়াবহ অপরাধের দায়ে হিন্দু যুবককে আটক করেনি পুলিশ। অন্যদিকে অপরাধী ও তার সহযোগীরা এখনো ঐ মুসলিম মেয়ে ও তার পরিবারকে বিভিন্ন হুমকি ধামকি দিয়েই চলেছে।